জাতীয়লিড নিউজ

ড. শামসুল আলম একজন পরিকল্পনাশিল্পী: সাখাওয়াত হোসেন

স্বাধীন বাংলাদেশের পুনর্গঠনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি পরিকল্পিত অর্থনৈতিক বিকাশের লক্ষ্যে সৃষ্টি করেন বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন। সবচেয়ে মেধাবীদের তিনি দায়িত্ব প্রদান করেন প্রতিষ্ঠানটিতে। বঙ্গবন্ধুর উদ্দেশ্য ছিল একটি সুপরিকল্পিত পরিকল্পনা ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশের মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থার পরিবর্তনের পাশাপাশি একটি বৈষম্যহীন, সমতাভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলা। কিন্তু ৭৫-পরবর্তী সময়ে ইতিহাসের নানান সংকটে বাংলাদেশের পরিকল্পনার ক্ষেত্রটি কিছুটা হলেও সংকুচিত হয়ে পড়ে। ২০০৯ সালে জনগণের বিপুল ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় আসা সরকার প্রথমেই হাত দেয় বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত স্বপ্ন পূরণে। শুরু হয় বাংলাদেশের পরিকল্পনা খাতের কাঠামোগত রূপান্তর। জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ রূপান্তর প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত করেন কিছু দেশপ্রেমী, দূরদর্শী, দক্ষ এবং যোগ্য ব্যক্তিকে যারা বাংলাদেশের গত এক যুগের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় সফল প্রতিনিধি (অমবহঃ) হিসেবে অবিরাম কাজ করে চলেছেন। এদের মধ্যে অন্যতম হলেন ড. শামসুল আলম, যাকে ‘চিফ এজেন্ট অব সট্রাকচারাল প্ল্যনিং’ এবং ‘দ্য আর্টিস্ট অব প্ল্যানিং’ এই দুটি নামে অভিহিত করা যায়।

পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের দায়িত্বভার ড. শামসুল আলমের ওপর অর্পণের পেছনে কাজ করেছে তাঁর অসামান্য পোর্টফোলিও। তিনি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা ও শিক্ষকতায় নিয়োজিত ছিলেন ১৯৭৪ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত। এছাড়া ভিজিটিং প্রফেসর হিসেবে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে শিক্ষকতা করেছেন জার্মানির হোমবোল্ট বিশ্ববিদ্যালয়, বেলজিয়ামের ঘেন্ট বিশ্ববিদ্যালয় এবং নেদারল্যান্ডসের ভাগিনিঙ্গেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট ইকোনমিকস স্কুলে। অর্থনীতিবিষয়ক ড. আলমের গবেষণাগ্রন্থ, পাঠ্যপুস্তকসহ অর্থনীতিবিষয়ক দেশে-বিদেশে প্রকাশিত গ্রন্থসংখ্যা ১৫টি। দেশ-বিদেশে প্রকাশিত পিয়ার রিভিউড জার্নালে গবেষণা নিবন্ধ ৪৫টি। ড. আলম কর্তৃক দেশে ও বিদেশে প্রকাশিত সম্পাদিত গ্রন্থসংখ্যা ৩৭টি। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থায় প্রায় সাড়ে তিন বছর এবং ইউএনডিপি বাংলাদেশে ১৪ মাস সিনিয়র স্কেলে পূর্ণকালীন জাতীয় কনসালট্যান্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন ড. শামসুল আলমের বর্ণাঢ্য একাডেমিক ক্যারিয়ারে যোগ করে নতুন মাত্রা। অভিজ্ঞ ড. শামসুল আলম তাই সরকারের কাছে পরিণত হয় এমন এক অপরিহার্য ব্যক্তিত্বে, যাকে রূপকল্প প্রণয়নের দায়িত্ব প্রদানে সরকার কুণ্ঠাবোধ করেনি। বাংলাদেশের পরিকল্পনা জগতে শুরু হয় ড. শামসুল আলম অধ্যায়।

ড. শামসুল আলমের সাবেক একান্ত সচিব হিসেবে আমি বলতে পারি যে, ২০০৯ থেকে ২০২১ পর্যন্ত এক যুগ সময়কাল তাঁর জীবনের সবচেয়ে উর্বর সময়কাল, কেননা এ সময়ে তিনি এমন এক ‘ঐবৎপঁষরধহ ঞধংশ’ সম্পাদন করেছেন, যা চিন্তা করলে এক কথায় অসম্ভব মনে হবে। ১২ বছরে মোট ১১৪টি গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশনা ড. শামসুল আলমের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগে (জিইডি) অবিরাম (জবষবহঃষবংং) কাজ করে যাওয়ার একটি উদাহরণমাত্র।

আমার দৃষ্টিতে ড. শামসুল আলমের জিইডিতে ১২ বছরের বর্ণাঢ্য কর্মকাল বিশ্লেষণ করলে তিনটি বিষয় স্পষ্ট হয়। প্রথমটি, তাঁর অসাধারণ সাংগঠনিক দক্ষতা, দ্বিতীয়টি, তাঁর অদম্য কর্মস্পৃহা আর তৃতীয়টি, তাঁর ব্যক্তিত্ব। ড. আলমের সাংগঠনিক নেতৃত্বের কথা বলতে হলে প্রথমেই বলতে হয় তিনি পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগকে (জিইডি) একেবারে শূন্য থেকে সরকারের শীর্ষস্থানীয় নীতি/পরিকল্পনা তৈরির কেন্দ্রে পরিণত করেছেন। জাতীয় পরিকল্পনা প্রণয়নে সরকারের আস্থার প্রতীক হিসেবে জিইডিকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন একটি ব্র্যান্ড হিসেবে। এসব তিনি করেছেন একটি শক্তিশালী কর্মী বাহিনী গড়ে তালার মাধ্যমে। দায়িত্ব গ্রহণের সাথে সাথে তিনি বিভিন্ন মন্ত্রণলয়/বিভাগ থেকে পরিকল্পনার সাথে প্রাসঙ্গিক ও একাডেমিকভাবে দক্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে এসেছেন জিইডিতে, যাদের অনেকেই এখনো সেখানে কর্মরত আছেন। একজন শিল্পী যেমন তার সৃষ্টিকে সুনিপুণ করার জন্য বারবার ঘষামাজা করেন, ড. শামসুল আলমও তেমনি তার নিজস্ব পদ্ধতি প্রয়োগে জিইডির কর্মীদের সর্বোচ্চটা বের করে নিয়ে আসতেন। এসব পদ্ধতির মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল অ্যাসাইনমেন্ট প্রদান, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সরকারের প্রতিনিধি দলের জন্য ব্রিফ/টকিং পয়েন্টস প্রস্তুতকরণ, বিদেশে প্রশিক্ষণ শেষে কর্মকর্তার আহরিত জ্ঞান সবার সাথে শেয়ার করা ইত্যাদি। আমি যদি নিজের কথাই বলি তাহলে বলা যায় ড. শামসুল আলম আমাকে রাষ্ট্রের উপযোগী একজন কর্মচারী হিসেবে তৈরি করতে পেরেছেন। আমি যে সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে অবদান রাখতে পারি এ বিশ্বাস তিনি আমার মধ্যে সঞ্চার করেছেন।

ড. আলমের সাংগঠনিক গুণাবলির মধ্য অন্যতম হচ্ছে তিনি সবাইকে নিয়ে কাজ করতে ভালোবাসেন। সরকারের বিভিন্ন সংস্থাই শুধু নয়, বিভিন্ন উনয়ন-সহযোগীর সাথেও তিনি সাচ্ছন্দ্যে কাজ করে গিয়েছেন। সকল উন্নয়ন-সহযোগীর কাছে তিনি এতটাই গ্রহণযোগ্য ছিলেন যে শুধু তিনি জড়িত থাকবেন বিধায় কিছু উচ্চাভিলাষী কিন্তু দেশের স্বার্থে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরিকল্পনা এ সময় প্রণীত হয়। এ ছাড়া তিনি উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন বেসরকারি সহযোগী সংস্থা, সিভিল সোসাইটি, একাডেমিয়াসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনের মতামত। ড. আলমের সাথে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাওয়ার সুযোগ আমার হয়েছে। সেখানে আমি দেখতে পেয়েছি কীভাবে তিনি তৃণমূলের/গণমানুষের মতামত শুনতেন। একটি পরিকল্পনার পরিপূর্ণ বাস্তবায়নে এই র‌্যাপোর্ট বিল্ডিং ড. আলমের কাছে ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর পর্যায়ের একজন মানুষ হিসেবে সবাইকে নিজ নিজ মতামত প্রদানের সুযোগ প্রদান এবং সেগুলো শোনার মতো ধৈর্য ও মানসিকতা বর্তমানে অত্যন্ত বিরল।
ড. আলমের কর্মস্পৃহা নিয়ে কথা বললে সেটি কল্পনাকেও হার মানাবে। একজন সত্তরোর্ধ্ব ড. আলমের সাথে তাল মেলাতে আমি ত্রিশোর্ধŸ মানুষ মাঝেমধ্যে খেই হারিয়ে ফেলতাম। কিন্তু ড. আলমকে আমি কখনই দেখিনি এক র্ম্হুর্তের জন্যে হলেও দায়িত্ব পাশ কাটাতে। হোক অফিস কিংবা বাসা, ওয়ার্কিং ডে কিংবা বন্ধের দিন, সব সময়ই তাঁর সাথে থাকত বড় বড় ডকুমেন্ট, যা নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে পড়ে সেগুলোর ওপর মতামত দিতে হবে। নিষ্ঠার সাথে তিনি সেটিও করেছেন। গত ১২ বছরে ১১৪টি প্রকাশনা অর্থাৎ বছরে গড়ে ১০টি প্রকাশনা এই বিবৃতির যথার্থতা প্রমাণ করে। এছাড়া পত্রপত্রিকায় দেশের আর্থসামাজিক অবস্থা, সংকট-সম্ভাবনা-উত্তরণ নিয়ে কলাম লিখে চলেছেন ড. আলম, যার সঠিক সংখ্যা সত্যি বলতে আমার জানা নেই। আমি ভেবে অবাক হতাম কোথায় তিনি এত সময় পান।
কর্মের স্বীকৃতি থেকে ব্যক্তির কৃতকর্মের একট ধারণা পাওয়া যায়। ড. আলমের কর্মস্বীকৃতির দিকে আলোকপাত করলে তাঁর অদম্য কর্মস্পৃহা সম্পর্কে কিছুটা ধারণা পাওয়া যায়। বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতি তাদের ১৬তম দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ২০১৮-এ কৃষি অর্থনীতি বিষয়ে দক্ষতা ও অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ড. আলমকে স্বর্ণপদকে ভূষিত করে। অর্থনীতিবিষয়ক গবেষনা প্রতিষ্ঠান ঝড়ঁঃয অংরধহ ঘবঃড়িৎশ ড়হ ঊপড়হড়সরপ গড়ফবষষরহম (ঝঅঘঊগ) ২০১৮ সালে ড. আলমকে ‘ঊপড়হড়সরংঃ ড়ভ ওহভষঁবহপব’ পুরস্কার প্রদান করে। সরকার অনুমোদিত বাংলাদেশ শিক্ষা পর্যবেক্ষণ সোসাইটি ড. আলমকে ‘বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম স্মৃতিপদক ২০১৮’তে ভূষিত করেছে। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই আ্যাসোসিয়েশন ২০১৮ সালে শিক্ষকতা ও গবেষণায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য ড. আলমকে ‘সম্মাননা অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করে। রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন ড. আলমকে গবেষণা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য ‘রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড ২০১৯’ সম্মাননা প্রদান করে। ড. শামসুল আলমের কর্মজীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি আসে মুজিব বর্ষ ২০২০- এ। ওই বছর অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় তিনি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘একুশে পদক’ প্রাপ্ত হন।
নিঃসন্দেহে ড. আলমের এই সকল অর্জনের পেছনে কাজ করেছে গত এক যুগ ধরে রাষ্ট্রকে প্রদেয় তাঁর সেবা। প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে পরপর তিনটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, দুটি প্রেক্ষিত পরিকল্পনা, একটি শতবর্ষী বদ্ধীপ পরিকল্পনা, জাতীয় সামাজিক কৌশলপত্র, সহস্র্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষমাত্রা গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশনাসহ অসংখ্য জাতীয় পরিকল্পনা দলিল প্রণয়নের মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের উন্নয়ন মানচিত্রে চিরস্থায়ী আসন দখল করেছেন।

পরিকল্পনাবিদ ড. আলম কিংবা কর্মঠ ড. আলমকে অনেকে চিনলেও তাঁর ব্যক্তি গুণাবলি সম্পর্কে অনেকেই বিস্তারিতভাবে অবগত নয়। এর কারণ ড. আলম ব্যক্তিজীবনে নিভৃতচারী এক মানুষ যিনি খুব বেশি আলোচনার কেন্দ্রে থাকতে পছন্দ করেন না, বরং নীরবে কাজ করে যেতে ভালোবাসেন। এর পরও তার কাজের দ্যুতি এতই আভা ছড়ায় যে সবাই তাঁকে তাঁর প্রাপ্য সম্মানটুকু দিয়েছেন এবং দিয়ে যাচ্ছেন। চাকরির সুবাদে আমি খুব কাছ থেকে ড. আলমকে দেখার সুযোগ পেয়েছি, জানতে চেষ্টা করেছি তাঁর প্রদেয় নির্দেশসমূহের অর্থ, বুঝতে চেষ্টা করেছি তাঁর অন্তর্মুখী ব্যক্তিত্বকে।

একটি ঘটনার কথা বলি। একদিন ড. আলমের গাড়ির ড্রাইভার কোভিড-১৯-এর টিকা গ্রহণের প্রাক্কালে তাঁর অফিস কক্ষে ঢুকে বলেন, ‘স্যার আপনার একটা কার্ড দেন, এটা টিকা কেন্দ্র দেখালেই হবে, আর লাইনে দাড়াতে হবে না।’ এটি শুনেই ড. আলম বললেন যে, ‘তোমার যদি তিন ঘণ্টাও সময় লাগে টিকা নিতে তাহলে অপেক্ষা করবে সবার মতো, আমি তোমাকে লাইন ভেঙে টিকা নেয়ার জন্য আমার কার্ড দেব না।’ ঘটনাটি এখানে উল্লেখ করার কারণ হচ্ছে ড. আলমের ক্ষমতার সদ্ব্যবহার সম্পর্কে পাঠককুলকে একটি ধারণা দেয়া। এ রকম আরও অজস্র ঘটনার আমি প্রত্যক্ষদর্শী, যেখানে ড. আলম তাঁর সততা, নিষ্ঠা, কর্তব্যপরায়ণতা, প্রতিশ্রুতির প্রতি যত্নশীল থাকাসহ একটি পূর্ণাঙ্গ মানুষের সকল নৈতিক ও মানবিক গুণাবলির সার্থক প্রতিফলন ঘটিয়েছেন। ড. আলম যখন করোনায় অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তখন কত মানুষের ফোন কল যে আমাকে রিসিভ করতে হয়েছে সেটির হিসাব আমি রাখিনি। তবে এটুকু বুঝতে পেরেছি তার প্রতি মানুষের ভালোবাসা আকাশসম। ড. অলম আমাদের কাছে ছিলেন এক প্রকাণ্ড বটবৃক্ষের মতো, যার ছায়াতলে আমরা খুঁজে পেতাম নিরাপত্তা ও আশ্রয়।

পরিশেষে আমি বলতে চাই, আমার কয়েকটি শব্দে এই মহান মানুষটিকে হয়তো আমি সম্পূর্ণ তুলে ধরতে পারব না, কিন্তু এতটুকু আমি হলফ করে বলতে পারি যতদিন বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্র উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে ততদিন ড. শামসুল আলম নামটি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

লেখক: সাখাওয়াত হোসেন
ড. শামসুল আলম মহোদয়ের সাবেক একান্ত সচিব, বর্তমানে সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ, পরিকল্পনা কমিশনে কর্মরত।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button