দেশজুড়ে

পূর্ব ফতেপুর ইউপি’র চেয়ারম্যান প্রার্থী জনপ্রিয়তার শীর্ষে আসাদুজ্জামান

স্টাফ রিপোর্টার:

সময় যতোই গড়াচ্ছে, নির্বাচন ততই ঘনিয়ে আসছে। চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তরের ১০নং ফতেপুর পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সর্বস্তরের ভোটারদের মাঝে আলোচনা সমালোচনার ঝড় বইছে। কে হচ্ছেন ফতেপুর পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান।

এরই মধ্যে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন ঐতিহ্যবাহী লুধুয়া গ্রামের জমিদার বাড়ীর মরহুম ছাত্তার মাষ্টারের ছোট ছেলে জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের গ্রন্থনা ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক, লুধুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা মতলব উত্তর উপজেলা শাখার সহ- সভাপতি, সাবেক বহিঃক্রীড়া সহ-সম্পাদক কুমিল্লা পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট, সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক মতলব উত্তর উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান (এম. এস. এস রাষ্ট্র বিজ্ঞান)। বাংলাদেশ আ.লীগ থেকে দলীয় মনোনয়ন পেতে দিনরাত নিরলসভাবে জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। ৪ ভাই ৫ বোনের মধ্যে ৭তম মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান। বড় ভাই প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সাবেক সহকারী প্রেস সচিব মোহাম্মদ মহসিন মিয়া, দ্বিতীয় ভাই বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবি এ্যাডভোকেট ডালিম, তৃতীয় ভাই বিশিষ্ট ব্যবসায়ী কামরুজ্জামান আপেল।

ফতেপুর পূর্ব ইউনিয়নের সর্বসাধারণের মুখে আলোচনায় রয়েছে এবারের চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মধ্যে যোগ্য ও সৎ হিসেবে মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান। স্থানীয় জনগণ বলছেন, এবারের নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন নৌকা পেলে বিপুল ভোট পেয়ে বিজয়ী হবেন তিনি। এলাকাজুড়ে তার অবস্থান অন্যসব প্রার্থীদের চেয়ে অনেক ভালো রয়েছে। উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান।

এ প্রতিবেদককে বলেন, সুদীর্ঘ দিন ধরে আমি ও আমার পরিবার আওয়ামী লীগের রাজনীতি করে আসছি। ছাত্ররাজনীতি থেকে শুরু করে বর্তমানেও আমি বাংলাদেশ আওয়ামী পরিবারের সাথে জড়িত আছি এবং মৃত্যুও আগ পর্যন্ত জড়িত থাকবো।

ফতেপুর পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ‘নৌকার মাঝি হতে চান’ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান। এ বিষয়ে মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন আমি চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করতে চাই। দল ও জনগণের চাহিদা অনুযায়ী আগামী নির্বাচনে অংশ নিতে চাই। জনগণের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে চাই। দেশরত্ন ও তরুণদের আস্থা জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে দলীয় মনোনয়ন তথা নৌকা মার্কা দিলে আমি বিপুল ভোটে নির্বাচিত হব-ইনশাল্লাহ্।
আমি নির্বাচিত হলে ফতেপুর পূর্ব ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলব। উন্নয়নই আমার লক্ষ্য, কারণ আমি আওয়ামী লীগ পরিবারের সদস্য। আমি নির্বাচিত হলে অসহায় মানুষের পাশে থেকে কাজ করবো ইনশাআল্লাহ।
মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান আরও বলেন- আমার বাবা মরহুম আবদুস সাত্তার মিয়া একজন স্বনামধন্য ক্রীড়া অনুরাগী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং সৎ-আদর্শ শিক্ষক ছিলেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সুসংগঠক ছিলেন, আমি তারই সন্তান। বাবার আদর্শকে বুকের ভিতর লালন করে আপনাদের মাঝে থাকতে চাই। ছাত্রজীবন থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ ও লালন করে আসছি।

এছাড়া রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক কর্মকাণ্ডে যতটুকু সম্ভব নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছি। আসন্ন ১০ নং পূর্ব ফতেপুর ইউনিয়ন নির্বাচনে মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান কে সবার যোগ্য প্রার্থী হিসেবে দেখছেন অত্র ইউনিয়নের সাধারণ জনগণ।

এ ব্যাপারে মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং চাঁদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এডভোকেট নুরুল আমিন রুহুল ভাই যদি আমাকে দলীয় মনোনয়ন দেয়, তাহলে আমি অবশ্যই জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে ১০ নং পূর্ব ফতেপুর ইউনিয়ন বাসির খেদমত করার সুযোগ পাব।

তিনি আরও বলেন, পূর্ব ফতেপুর ইউনিয়নকে ঢেলে সাজাতে চাই, শিক্ষা বিস্তার, মাদক, সন্ত্রাস মুক্ত ও সকলের সমঅধিকার প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড গ্রহণের মাধ্যমে ইউনিয়নকে উন্নত করে মরেও সবার হৃদয়ে বেঁচে থাকতে চাই। তিনি সকলের কাছে দোয়া ও আন্তরিক সহযোগীতা প্রত্যাশা করেছেন।

মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান এর শ্বশুর মরহুম রাজ্জাকুল হায়দার খান (সিমু খান) চাঁদপুর সদর উপজেলার ৯ নং বালিয়া ইউনিয়নের ১৪ সুনাম সন্মানের সহিত দায়িত্ব পালন করেছেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button