জাতীয়

বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা

দেশে লাফিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। দেশে গত ২৪ ঘন্টায় ২৮৭ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। এদের বেশির ভাগ রাজধানী ঢাকার বাসিন্দা।

সোমবার (২ আগষ্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে বর্তমানে ৯৭৮ ডেঙ্গু রোগী ভর্তি আছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার ৪১টি সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৯৪০ ডেঙ্গু রোগী।

চলতি বছরের ১ জাুয়ারি থেকে ১ আগস্ট পর্যন্ত ৩ হাজার ১৮২ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। তাদের মধ্যে ২ হাজার ২০০ রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

চলতি মৌসুমে ডেঙ্গু সন্দেহে ৪টি মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেলেও এখনও কোনো মৃত্যুই ডেঙ্গুজনিত বলে নিশ্চিত করেনি আইইডিসিআর।

প্রতিবছর বর্ষাকালেই রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বড় শহরগুলোতে ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ দেখা দেয়। ২০১৯ সালে দেশে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা অতীতের রেকর্ড ছাড়িয়েছিল।

দেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে প্রায় ৩০০ মানুষ প্রাণ হারান। তবে সরকারি হিসাবে মৃতের সংখ্যা ১৭৯।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, ওই বছর সারা দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিল ১ লাখ ১ হাজার ৩৫৪ জন।

ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণসমূহ:

১। প্রচণ্ড জ্বর

২। তীব্র মাথাব্যথা

৩। বমি

৪। শরীরে লাল র‍্যাশ ওঠা

৫। মাংসপেশীতে ব্যথা

৬। চোখের পেছনে ব্যথা

ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয়:

১। মশার প্রজনন স্থল ধ্বংস করতে হবে।

২। বাড়ির আশপাশের যে কোনো পাত্রে বা জায়গায় জমে থাকা পানি পরিষ্কার করতে হবে যাতে এডিস মশার লাভা বিস্তার না করতে পারে।

৩। ফুলের টব, প্লাস্টিকের পাত্র, পরিত্যক্ত টায়ার, প্লাস্টিকের ড্রাম, মাটির পাত্র, বালতি, টিনের কৌটা, ডাবের খোসা, নারকেলের মালা, কনটেইনার, মটকা, ব্যাটারি সেল ইত্যাদি প্রতিনিয়ত পরিষ্কার করা; যাতে এডিস মশা বিস্তার না করতে পারে।

৪। রাতে বা দিনে ঘুমানোর সময় মশারি ব্যবহার করা।

৫। স্বাস্থকর পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

৬। মশা নিধনের ঐষধ, স্প্রে কিংবা কয়েল ব্যবহার করতে হবে।

৭। জানালাতে মশা প্রতিরোধক নেট ব্যবহার করতে হবে।

ডেইলিদর্পণ/ এম

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button